মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপজেলার পটভূমি

‘তমিজউদ্দিন’ নায়েবের নামানুসারে তজুমদ্দিন উপজেলার নামকরণের ইতিহাস পাওয়া যায়। ১৮৬১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী তজুমদ্দিন ভোলা দ্বীপের দৌলতখান থানার একটি outpost ছিল। ১৯২৮ সালের এটি প্রথম নবগঠিত থানার মার্যাদা পায়। ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় পরিণত হয়। পার্শ্ববর্তী নবগঠিত মনপুরা উপজেলা পূর্বে তজুমদ্দিনের একটি ইউনিয়ন ছিল। এছাড়া শম্ভুপুর ইউনিয়নটি পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থেকে কর্ত্নপূর্ব্ক তজুমদ্দিন উপজেলার সাথে সংযুক্ত। এছাড়াও চাঁদপুর ও চাঁচড়া ইউনিয়ন নদী ভাঙ্গনের শিকার। অন্যদিকে চর মোজাম্মেল, চর নাসরিন, চর লাদেন, রগকাটার চর, চর লক্ষ্মী ও বাসন ভাঙ্গার চর অনেকটা মূল ভূখন্ডের সমান্তরালে পূণর্গঠিত হয়েছে। ভৌগলিকভাবে সিকস্তি পয়েস্থি ও ভাঙ্ড়াগড়ায় উপজেলাটির দু’টি ইউনিয়ন মলংচড়া ও সোনাপুর সম্পূর্ণ্ই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে চর জহিউদ্দিন নামক চরে পুনঃস্থাপিত হয়েছে।

       

  আয়তন    ৫১২.৯২ বর্গ্ কিলোমিটার।
  লোকসংখ্যা                         ১৩৬২৪০ জন।
                        সীমানাঃ    উত্তরেঃ   দৌলতখান উপজেলা,

   দক্ষিণেঃ লালমোহন উপজেলা,

   পূর্বেঃ  মেঘনা নদী, মনপুর ও নোয়াখালী উপজেলা,

    পশ্চিমেঃ বোরহানউদ্দিন উপজেলা।

ইউনিয়ন   ৫টি
মৌজা  ৫৩টি 
 গ্রাম             ৯১টি 
শিক্ষার হার                ৪৩.১%
মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা           ১৫৫, বীরাঙ্গনা-১, শহীদ-৪জন।
হাসপাতাল   ১টি
কলেজ                      ১টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়   ১৫টি
নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়  ৫টি
মাদ্রাসা         ১৫টি
প্রাথমিক বিদ্যালয়   ১০৮টি
কিন্ডার গার্ডেন স্কুল      ৫টি
ইবতেদায়ী       ৮১টি

                    :        

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের ৪টি অভয়াশ্রমের মধ্যে ১টি অভয়াশ্রম তজুমদ্দিন সংলগ্ন মঘেনা নদীর সৈয়দ আউলিয়া পয়েন্ট।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter